মহাকবি মধুসূদনের বাড়ি ও মেলা দেখে আসি | Poet Madhusudan's house & fair travel
মধুসূদনের স্মৃতিবিজড়িত সাগরদাঁড়ি ঘুরে আসুন ..
ভ্রমণ মানেই ঝর্ণা, সাগর, পাহাড়, বিশাল লেক, চা বাগান, হাওড় বা গহীন অরণ্যের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য। তবে ইতিহাসের অংশগুলোতে ঘুরতে গেলে মন্দ হয় না। মধুসূদনের স্মৃতিবিজড়িত সাগরদাঁড়ি ঘুরে আসুন।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান :
কবির জন্মদিন উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী চলা এই মনোমুগ্ধকর মেলায় যা যা থাকে |
রাতে মধুমঞ্চে নাটক, কবিতা আবৃতিসহ মনোজ্ঞপূর্ণ সাংস্কৃতিক নাটক, যাত্রা, নৃত্যসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। এদিকে মধু ভক্তদের আকর্ষণীয় করার জন্য মধুমেলায় বসেছে সার্কাস, জাদু প্রদর্শনী, মৃত্যুকূপ, নাগরদোলা, ইঞ্জিনচালিত ট্রেন ।হনুমান গ্রাম- যশোরের কেশবপুরে রয়েছে ভবঘুরে প্রজাতির প্রায় ৪০০ কালোমুখী হনুমানের আবাস।
, সে জন্য এই এলাকাটি হনুমান গ্রাম নামে পরিচিত।
ভরতের দেউল
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত। ভরতভায়না গ্রামে অবস্থিত একটি প্রত্নক্ষেত্র, যা খ্রিস্টীয় ৭-৮ শতকের একটি নিদর্শন বলে ধারণা করা হয়।
ভরতের দেউল- যশোর জেলায় কেশবপুর উপজেলাস্থ গৌরিঘোনায় নদীর তীরে ভরতের দেউল অবস্থিত। সেখানে রয়েছে মঞ্জ, মন্দির, ৯৪টি কক্ষের সন্ধ্যান পাওয়া যায়।এটি একটি স্থানীয় কাচা সড়ক দিয়ে সাতক্ষীরা-দৌলতপুর জেলা পরিষদ সড়কের সাথে সংযুক্ত। এই প্রত্নস্থলটির পূর্ব দিক দিয়ে বহমান বুড়িভদ্র নদী।
ঢাকা গাবতলি থেকে আপনি সরাসরি এসি-নন এসি বাসে পৌছাতে পারবেন খুব সহজে।টিকিট মুল্য ৪০০/৫০০/৬০০/৯০০(এসি) টাকা বাস অনুযায়ী। আপনি ঢাকা গাবতলি থেকে, সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস,সুন্দরবন এক্সপ্রেস,মামুন,মাছরাঙ্গা, হানিফ, সোহাগ,এইচ আর,এম আর সহ আরো অনেক বাসে করে কেশবপুর উপজেলায় পৌছাতে পারবেন।সেখানে থেকে সোজা সাগরদাঁড়ি কবির বাড়ি যেতে হলে সিএনজি বা সিএনজিচালিত যানবাহনে জন প্রতি ২৫-৩০ টাকায় যেতে হবে।
পার্কিং মূল্য : বাস ২০০ টাকা, মাইক্রেবাস, জীপ, গাড়ি ১০০ টাকা। মোটর সাইকেল ৫০ টাকা।
যেখানে থাকবেনথাকার জন্য আছে পর্যাটক ডাকবাংলো, সেখানে অল্প খরচেই থাকতে পারবেন।এছাড়া বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একটি মোটেল আছে। ভাড়া ৬শ’ থেকে ১২শ’ টাকা।
হোটেল/খাবার
কবির বাড়ির প্রধান ফটকে দেশি হোটেল দেখতে পাবেন।এখানে আপনি স্থানীয় খাবারের সেরা খাবার পাবেন।
No comments