Header Ads

আপনি চাইলে আমাদের সাথে আপনার ভ্রমণ গল্প বলতে পারেন | অন্বেষণ এবং একটি অভিযাত্রী হতে |

মহাকবি মধুসূদনের বাড়ি ও মেলা দেখে আসি | Poet Madhusudan's house & fair travel

মধুসূদনের স্মৃতিবিজড়িত সাগরদাঁড়ি ঘুরে আসুন ..

ভ্রমণ মানেই ঝর্ণা, সাগর, পাহাড়, বিশাল লেক, চা বাগান, হাওড় বা গহীন অরণ্যের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য। তবে ইতিহাসের অংশগুলোতে ঘুরতে গেলে মন্দ হয় না। মধুসূদনের স্মৃতিবিজড়িত সাগরদাঁড়ি ঘুরে আসুন।


মেলা : মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের । মেলা উপলক্ষে দুর-দুরন্ত থেকে  অনেক দোকানপাট আসে । এছাড়া নাগর দোলা , চরকা, সার্কাস , পুতুলনাচ সহ অনেক আয়োজন থাকে ।প্রচুর মানুষের সমাগম হয় ।


বিভিন্ন ভ্যারাইটি স্টলসহ প্রায় ৫০০ ধরনের বিভিন্ন স্টল। মেলা উপলক্ষে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।মেলা উপলক্ষে সাত দিন ব্যাপি  সাংস্কৃত অনুষ্ঠান , গান-বাজনা, কবিতা আবৃতি ,নাটক , আলোচনা সভা  ও অনান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মেলা ও মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সমস্ত কার‌্যাবলি পরিচালনা করা হয় সরাসরি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে। এছাড়া মেলা উপলক্ষে কবির বিভিন্ন গ্রন্থ ও স্মৃতি বিশেষ প্রদর্শনের ব্যবস্থা হয়।
 মেলায় দেখতে পাবেন কৃষি মেলা,যেখানে উন্নত জাতের শত শত ফসল,সবজি আর ফলমূল দেখতে পাবেন

কবি সংগ্রহ : তার ব্যবহার করা আসবাবপত্র  কিছু তৈজসপত্র নিয়ে তৈরি করা হয়েছে কবি জাদুঘরকবির লেখা সকল বই,পরিক্ষার খাতা  তার ছবি সংগ্রহ নিয়ে আছে কবির জীবন পরিচিতির গ্যালারি ঘর



সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান : 

কবির জন্মদিন উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী চলা এই  মনোমুগ্ধকর  মেলায় যা যা থাকে |

রাতে মধুমঞ্চে নাটক, কবিতা আবৃতিসহ মনোজ্ঞপূর্ণ সাংস্কৃতিক নাটক, যাত্রা, নৃত্যসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। এদিকে মধু ভক্তদের আকর্ষণীয় করার জন্য মধুমেলায় বসেছে সার্কাস, জাদু প্রদর্শনী, মৃত্যুকূপ, নাগরদোলা, ইঞ্জিনচালিত ট্রেন

মধুমেলা উপলক্ষে কবির জন্মভূমির স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদ, জমিদার বাড়ির আম্রকানন, বুড়োকাঠ বাদাম গাছতলা, বিদায় ঘাটসহ মধুপল্লী হাতছানি দিয়ে ডাকছে মধু ভক্তদের। মধু ভক্ত লাখো মানুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হবে সাগরদাঁড়ির চারপাশ। বর্ণিল সাজে সেজেছে সাগরদাঁড়ি।


আরো যা যা দেখতে পাবেন ঃ

মীর্জানগর হাম্মামখানা-    যশোরের অবস্থিত ১৬৪৯ সালে ফৌজদার নিযুক্ত হন মীর্জা সফসিকান। তিনি বাংলার সুবেদনা শাহ সুজা শ্যালক এর পুত্র। 
এখানে রয়েছে মোগল স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে তৈরি হাম্মামখানায় ৪টি কক্ষ, একটি কূপ, গম্বুজ ইত্যাদি। যশোরের কেশবপুর উপজেলা থেকে কি.মি দূরে অবস্থিত এই মীর্জানগর হাম্মামখানা।

হনুমান গ্রামযশোরের কেশবপুরে রয়েছে ভবঘুরে প্রজাতির প্রায় ৪০০ কালোমুখী হনুমানের আবাস




, সে জন্য এই এলাকাটি হনুমান গ্রাম নামে পরিচিত। 

ভরতের দেউল

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত ভরতভায়না গ্রামে অবস্থিত একটি প্রত্নক্ষেত্র, যা খ্রিস্টীয় ৭-৮ শতকের একটি নিদর্শন বলে ধারণা করা হয়।






ভরতের দেউলযশোর জেলায় কেশবপুর উপজেলাস্থ গৌরিঘোনায় নদীর তীরে ভরতের দেউল অবস্থিত। সেখানে রয়েছে মঞ্জমন্দির৯৪টি কক্ষের সন্ধ্যান পাওয়া যায়।এটি একটি স্থানীয় কাচা সড়ক দিয়ে সাতক্ষীরা-দৌলতপুর জেলা পরিষদ সড়কের সাথে সংযুক্ত। এই প্রত্নস্থলটির পূর্ব দিক দিয়ে বহমান বুড়িভদ্র নদী।

যেভাবে যাবেন :

ঢাকা গাবতলি থেকে আপনি সরাসরি এসি-নন এসি বাসে পৌছাতে পারবেন খুব সহজে।টিকিট মুল্য ৪০০/৫০০/৬০০/৯০০(এসিটাকা বাস অনুযায়ী। আপনি ঢাকা গাবতলি থেকেসাতক্ষীরা এক্সপ্রেস,সুন্দরবন এক্সপ্রেস,মামুন,মাছরাঙ্গাহানিফসোহাগ,এইচ আর,এম আর সহ আরো অনেক বাসে করে কেশবপুর উপজেলায় পৌছাতে পারবেন।সেখানে থেকে সোজা সাগরদাঁড়ি কবির বাড়ি যেতে হলে সিএনজি বা সিএনজিচালিত যানবাহনে জন প্রতি ২৫-৩০ টাকায় যেতে হবে।

পার্কিং মূল্য :  বাস  টাকা, মাইক্রেবাস, জীপ, গাড়ি ১০০ টাকা। মোটর সাইকেল ৫০ টাকা

যেখানে থাকবেন

থাকার জন্য আছে পর্যাটক ডাকবাংলো, সেখানে অল্প খরচেই থাকতে পারবেন।এছাড়া বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একটি মোটেল আছে। ভাড়া ৬শ’ থেকে ১২শ’ টাকা।

হোটেল/খাবার

কবির বাড়ির প্রধান ফটকে দেশি হোটেল দেখতে পাবেনএখানে আপনি স্থানীয় খাবারের সেরা খাবার পাবেন

No comments

Powered by Blogger.